313
Project Details
🔸প্রজেক্ট : ৩১৩ সিটি ফার্স্ট প্রজেক্ট।
🔸প্রজেক্টের মেয়াদকাল : ৩ বছর।
🔸বিনিয়োগ সংখ্যা : ৩১৩টি
🔸বিনিয়োগমূল্য : ৫ লক্ষ ৭৭ হাজার ১শ ৬৫ টাকা।
🔸টাকা প্রদানের ধরণ : এককালীন।
🔸প্রজেক্ট ক্লোজ : মূলধন-সহ লাভ/লোকসান বুঝিয়ে দেওয়া হবে।
বিস্তারিত শর্তাবলি
০১। আস্থা ও বিশ্বাস :
মুফতী হাবিবুর রহমান মিছবাহ তথা ৩১৩ কোম্পানির প্রতি যাদের পূর্ণ আস্থা, বিশ্বাস ও আমানতদারিতার বিষয়ে কোনো সংশয় নেই, কেবল তারাই এই প্রজেক্টে অংশীদার হিসেবে অংশগ্রহণ করবেন।
০২। অংশীদারিত্বের মানসিকতা :
কোনো নির্দিষ্ট বা নিশ্চিত লাভের প্রত্যাশা কিংবা সাময়িক আবেগের বশবর্তী হয়ে নয়; বরং সকল শর্তাবলি ভালোভাবে পড়ে, বুঝে এবং ব্যবসার স্বাভাবিক লাভ-লোকসানের ঝুঁকি গ্রহণের মানসিকতা থাকলে তবেই অংশগ্রহণ করবেন।
০৩। প্রজেক্টের প্রকৃতি :
এটি '৩১৩ বদর সিটি' প্রজেক্ট বাস্তবায়নের লক্ষ্যে একটি অংশীদারিত্বভিত্তিক ব্যবসায়িক কার্যক্রম। অংশীদারদের প্রদত্ত অর্থ জমি বায়না, প্রয়োজনীয় প্রস্তুতিমূলক কার্যক্রম, নকশা, অনুমোদন, নির্মাণ এবং প্রজেক্ট বাস্তবায়নের অন্যান্য বৈধ ব্যয়ে ব্যবহার করা হবে। এই মূলধনের মাধ্যমে একটি পূর্ণাঙ্গ আবাসন প্রকল্প বাস্তবায়ন করা হবে, ইনশাআল্লাহ।
০৪। প্রজেক্ট বাস্তবায়ন শুরু না হলে :
অংশীদারদের অর্থ গ্রহণের তারিখ থেকে সর্বোচ্চ ৬[ছয়] মাসের মধ্যে যদি জমি বায়না বা প্রজেক্টের কার্যক্রম শুরু করা সম্ভব না হয়, তবে অংশীদারের প্রদত্ত সম্পূর্ণ অর্থ ফেরত প্রদান করা হবে, ইনশাআল্লাহ।
০৫। অংশীদারিত্বের মেয়াদ ও রিফান্ড :
প্রজেক্টের কার্যক্রম শুরু হওয়ার পর অংশীদারিত্ব প্রকল্পের মেয়াদ পর্যন্ত বহাল থাকবে [জানুয়ারি ২০২৭ থেকে পরবর্তি ৩ বছরেই প্রজেক্ট সমাপ্তের টার্গেট]।
এ সময়ের মধ্যে সাধারণভাবে মূলধন ফেরতের আবেদন গ্রহণযোগ্য হবে না। তবে একান্ত প্রয়োজন হলে লিখিত আবেদন সাপেক্ষে কোম্পানির নীতিমালা অনুযায়ী সর্বোচ্চ ১০০ [একশত] কার্যদিবসের মধ্যে হিসাব নিষ্পত্তি করা হবে। সে ক্ষেত্রে প্রশাসনিক ও ব্যবস্থাপনা ব্যয় বাবদ সর্বোচ্চ ২০% সার্ভিস চার্জ কর্তন করা হতে পারে।
০৬। লাভ-লোকসানের নীতিমালা :
এই প্রজেক্টে কোম্পানি ব্যবসায়িক লাভের কোনো অংশ গ্রহণ করবে না। তবে প্রজেক্ট পরিচালনা, তদারকি ও ব্যবস্থাপনা বাবদ পূর্বঘোষিত সার্ভিস চার্জ গ্রহণ করবে [২০%]। উক্ত সার্ভিস চার্জ ও প্রকল্পের সকল বৈধ ব্যয় সমন্বয়ের পর অবশিষ্ট নিট লাভ অংশীদারদের মধ্যে তাদের অংশীদারিত্বের অনুপাতে বণ্টন করা হবে। ব্যবসায় লাভের যেমন সম্ভাবনা রয়েছে, তেমনি লোকসানের শঙ্কাও বিদ্যমান। আল্লাহ না করুন, প্রকৃত ব্যবসায়িক লোকসান হলে অংশীদারগণ নিজ নিজ অংশ অনুযায়ী তা বহন করবেন।
০৭। ফ্ল্যাট ক্রয়ে বিশেষ সুবিধা :
কোনো অংশীদার নিজে ফ্ল্যাট ক্রয় করতে ইচ্ছুক হলে কোম্পানির নীতিমালা অনুযায়ী বিশেষ মূল্যসুবিধা প্রদান করা হবে, ইনশাআল্লাহ। সে ক্ষেত্রে পৃথক ও স্বতন্ত্র ফ্ল্যাট ক্রয়-বিক্রয় চুক্তিপত্র সম্পাদিত হবে।
০৮। প্রবাসী ও দূরবর্তী অংশীদার :
প্রবাসী অথবা দূরবর্তী স্থানে অবস্থানরত ব্যক্তি চেয়ারম্যানের সঙ্গে আলোচনা সাপেক্ষে অনুমোদিত প্রতিনিধির মাধ্যমে অথবা কোম্পানির অফিসিয়াল হোয়াটসঅ্যাপের মাধ্যমে প্রয়োজনীয় কার্যক্রম সম্পন্ন করতে পারবেন।
০৯। অনিবার্য পরিস্থিতি :
প্রাকৃতিক দুর্যোগ, যুদ্ধ, রাষ্ট্রীয় বা বৈশ্বিক সংকট কিংবা অন্য কোনো অনিবার্য কারণে প্রজেক্ট বাস্তবায়নে বিলম্ব বা সাময়িক স্থবিরতা সৃষ্টি হলে পরিস্থিতি স্বাভাবিক না হওয়া পর্যন্ত অংশীদারগণ ধৈর্য ধারণ করবেন এবং কোম্পানিও যথাসম্ভব দ্রুত কার্যক্রম পুনরায় চালুর চেষ্টা করবে।
১০। নীতিমালা সংশোধনের অধিকার :
প্রজেক্টের সার্বিক স্বার্থ, অংশীদারদের অধিকার সংরক্ষণ এবং বাস্তব প্রয়োজনের আলোকে প্রচলিত আইন ও শরিয়াহর মূলনীতির পরিপন্থী নয়—এমন সীমার মধ্যে কোম্পানি প্রয়োজনীয় নীতিমালা সংযোজন, পরিমার্জন বা সংশোধনের অধিকার সংরক্ষণ করে। তবে কোনো সংশোধনের ফলে পূর্বে অর্জিত অংশীদারদের মৌলিক অধিকার ক্ষুণ্ণ করা হবে না।
১১। অংশীদারিত্বের পরিমাণ ও পরিশোধ :
প্রতি অংশীদারিত্বের মূল্য ৫,৭৭,১৬৫/- (পাঁচ লক্ষ সাতাত্তর হাজার একশত পঁয়ষট্টি) টাকা। নির্ধারিত সম্পূর্ণ অর্থ এককালীন পরিশোধের মাধ্যমে অংশীদারিত্ব গ্রহণ করতে হবে।
১২। অঙ্গীকারনামা সম্পাদন :
অংশীদারিত্ব চূড়ান্ত করার পূর্বে কোম্পানির নির্ধারিত অঙ্গীকারনামা যথাযথভাবে পড়ে, বুঝে এবং স্বাক্ষর সম্পাদন করতে হবে। অঙ্গীকারনামায় স্বাক্ষর সম্পন্ন ও অর্থ পরিশোধের পরই অংশীদারিত্ব কার্যকর বলে গণ্য হবে।
🔸অঙ্গীকারনামা :
০১। আমি জানি যে, এটি একটি অংশীদারিত্বভিত্তিক ব্যবসায়িক প্রজেক্ট। আমার প্রদত্ত অর্থ জমি বায়না, প্রয়োজনীয় প্রস্তুতিমূলক কার্যক্রম, নকশা, অনুমোদন, নির্মাণ এবং প্রজেক্ট বাস্তবায়নের অন্যান্য বৈধ কাজে ব্যবহৃত হইবে।
০২। আমি অবগত আছি যে, অংশীদারদের অর্থ গ্রহণের পর সর্বোচ্চ ৬ [ছয়] মাসের মধ্যে জমি বায়না বা প্রজেক্টের কার্যক্রম শুরু করা সম্ভব না হইলে, আমার প্রদত্ত সম্পূর্ণ অর্থ আমাকে ফেরত প্রদান করা হইবে।
০৩। আমি জানি যে, প্রজেক্টের কার্যক্রম শুরু হওয়ার পর এই অংশীদারিত্ব প্রকল্পের মেয়াদ পর্যন্ত বহাল থাকিবে। এ অবস্থায় সাধারণভাবে মূলধন ফেরতের দাবি করিবো না। তবে একান্ত প্রয়োজন হইলে কোম্পানির নীতিমালা অনুযায়ী লিখিত আবেদন করিতে পারিবো এবং আবেদন গৃহীত হইলে ১০০ কার্যদিবসের মধ্যে হিসাব নিষ্পত্তি করা হইবে। সেই ক্ষেত্রে ঘোষিত সার্ভিস চার্জ কর্তন করা হইতে পারে।
০৪। আমি অবগত আছি যে, এই ব্যবসায় লাভের যেমন সম্ভাবনা রহিয়াছে, তেমনি প্রকৃত ব্যবসায়িক লোকসানের শঙ্কাও রহিয়াছে। অতএব আল্লাহ না করুন, লোকসান সংঘটিত হইলে আমি আমার অংশীদারিত্বের অনুপাতে উক্ত লোকসান গ্রহণ করিতে সম্মত আছি।
০৫। আমি জানি যে, কোম্পানি ব্যবসায়িক লাভের কোনো অংশ গ্রহণ করিবে না। তবে পূর্বঘোষিত প্রশাসনিক ও ব্যবস্থাপনা সার্ভিস চার্জ গ্রহণের পর অবশিষ্ট নিট লাভ অংশীদারদের মধ্যে তাহাদের অংশীদারিত্বের অনুপাতে বণ্টন করা হইবে।
০৬। আমি কোনো নির্দিষ্ট, নিশ্চিত বা পূর্বনির্ধারিত মুনাফা দাবি করিবো না এবং প্রকৃত ব্যবসায়িক ফলাফলের ভিত্তিতেই লাভ বা লোকসান গ্রহণ করিতে সম্মত রহিয়াছি।
০৭। আমি জানি যে, কোম্পানির মূল উদ্দেশ্য ‘৩১৩ বদর সিটি’ প্রজেক্ট বাস্তবায়ন। প্রয়োজনীয় জমি অধিগ্রহণ, নির্মাণকাজ, ফ্ল্যাট বিক্রয় ও সংশ্লিষ্ট কার্যক্রম সম্পন্ন হওয়ার পর চূড়ান্ত ব্যবসায়িক হিসাব নির্ধারণ করা হইবে এবং সে অনুযায়ী লাভ-লোকসানের নিষ্পত্তি করা হইবে।
০৮। প্রাকৃতিক দুর্যোগ, যুদ্ধ, রাষ্ট্রীয় বা বৈশ্বিক সংকট, আইনগত জটিলতা অথবা অন্য কোনো অনিবার্য কারণে প্রজেক্ট বাস্তবায়নে বিলম্ব ঘটিলে আমি ধৈর্য ধারণ করিবো এবং কোম্পানির সঙ্গে পারস্পরিক সমঝোতার ভিত্তিতে বিষয়টি নিষ্পত্তি করিবো।
০৯। আমি কোম্পানির ঘোষিত বৈধ শর্তাবলি, নীতিমালা ও প্রশাসনিক সিদ্ধান্ত মেনে চলিবো এবং চুক্তির বাইরে কোনো অতিরিক্ত সুবিধা, নির্দিষ্ট মূল্যবৃদ্ধি, নির্দিষ্ট মুনাফা বা বিশেষ প্রতিশ্রুতি দাবি করিবো না।
১০। আমি ঘোষণা করিতেছি যে, এই অংশীদারিত্বে অংশগ্রহণের পূর্বে আমি সকল শর্তাবলি নিজ দায়িত্বে পাঠ করিয়াছি, বুঝিয়াছি এবং প্রয়োজনীয় প্রশ্নের সন্তোষজনক উত্তর গ্রহণ করিয়াছি। অতএব ভবিষ্যতে অজ্ঞতার অজুহাতে কোনো আপত্তি বা অযৌক্তিক দাবি উত্থাপন করিব না।
0 Comments