রোমানসিয়া এগ্রো ট্যুরিজম
[মাটির ঘ্রাণে রাজকীয় আতিথ্য]
নিজ হাতে মাছ শিকার, ক্ষেত থেকে পছন্দমতো শাক-সবজি সংগ্রহ কিংবা নিজের পছন্দের হাঁস-মুরগি দিয়ে মাটির চুলায় পাটায় বাটা মশলায় রান্না করা খাবারের খাঁটি স্বাদ কবে আস্বাদন করেছেন মনে আছে?
কাঁঠালি কলা, পোড়া মরিচ, পেঁয়াজ আর আলু ভর্তা দিয়ে সকালের পান্তা কিংবা সাগরের তাজা ইলিশের মোহনীয় সুঘ্রাণ কবে নাগাদ নাকে লেগেছে? দেশি গরুর নির্ভেজাল দুধের আসল স্বাদের কথা মনে পড়ে?
গ্রাম-বাংলার এসব হারিয়ে যাওয়া প্রাণবন্ত ঐতিহ্যকে ফিরিয়ে আনতেই রোমানসিয়ার এই বিশেষ আয়োজন।
পুকুরে সাঁতার কাটা, হারিকেনের সেই মৃদু আলোয় গ্রামীণ কটেজে দারুণ সময় কাটানো— সব মিলিয়ে গ্রাম-বাংলার চিরায়ত রূপ ও বিনোদন নিশ্চিত করবে রোমানসিয়া এগ্রো ট্যুরিজম ইনশাআল্লাহ।
এগ্রো ট্যুরিজমের সম্ভাবনাময় আন্তর্জাতিক কেন্দ্র কুয়াকাটায়, ৩১৩ এগ্রো ফার্মের সাথে, ৩১৩ কোম্পানির নতুন উদ্যোগ “রোমানসিয়া এগ্রো ট্যুরিজম”।
এই প্রজেক্টে বিনিয়োগের মাধ্যমে আপনিও হতে পারেন রেজিস্ট্রিপ্রাপ্ত যৌথ মালিকানার গর্বিত অংশীদার।
🔸রোমানসিয়ায় বিনিয়োগের সুবিধা :
* সম্পূর্ণ শরিয়াহসম্মত উপায়ে হালাল উপার্জনের সুযোগ।
* রেজিস্ট্রি সূত্রে নিশ্চিত মালিকানা।
* অবকাঠামোগত উন্নয়নের সাথে সাথে সম্পদের ভবিষ্যৎ মূল্য বৃদ্ধির সুবিধা।
* সুবিধাজনক যেকোনো সময়ে বিনিয়োগ বিক্রির স্বাধীনতা।
* বিনিয়োগকারীর রেফারেন্সে কটেজ বুকিং হলে বিশেষ কমিশন সুবিধা।
* কোম্পানির নিজস্ব প্রমোশনাল ফান্ড থেকে বার্ষিক সৌজন্যমূলক ড্রয়ের মাধ্যমে ওমরাহ ও ভ্রমণের সুযোগ [মূল চুক্তির বাইরে]।
🔸রোমানসিয়ার বিশেষ বৈশিষ্ট্য :
* কুয়াকাটার মনোরম গ্রামীণ পরিবেশে অবস্থিত।
* কোম্পানির নিজস্ব পরিচালনায় কুয়াকাটা সমুদ্র সৈকত ভ্রমণের ব্যবস্থা।
* আধুনিক ও সম্পূর্ণ হালাল পারিবারিক বিনোদনের সুব্যবস্থা।
* শিশুদের জন্য সুনির্দিষ্ট কিডস জোন।
* এগ্রো ফার্মের সুবিশাল বাগান ও প্রাকৃতিক সৌন্দর্য উপভোগের সুযোগ।
* ইনডোর স্পোর্টস ফ্লোর, পিকনিক স্পট ও সেমিনার হল।
* সুসজ্জিত গ্রামীণ রেস্টুরেন্ট ও কটেজ।
* সড়কপথের পাশাপাশি নিজস্ব বোটের মাধ্যমে আকর্ষণীয় নদী ভ্রমণের সুযোগ।
🔸আর্থিক ও পরিচালনা কাঠামো :
🔹 প্রকল্পের মেয়াদ :
দীর্ঘমেয়াদি [আইনানুগ বিলুপ্তি ব্যতীত অনবরত চলমান থাকবে]।
🔹নির্মাণ সময়কাল :
২০২৭ থেকে ২০২৮ সাল [কাজের অগ্রগতির ওপর পরিবর্তনশীল]।
🔹বিনিয়োগের পরিমাণ :
প্রতি বিনিয়োগ ২,০০,০০০ [দুই লক্ষ] টাকা।
🔹রেজিস্ট্রির পরিমাণ :
প্রতি বিনিয়োগে ২০০ স্কয়ারফিট জমির অবিভক্ত মালিকানা।
🔹ব্যবস্থাপনা ফি :
প্রজেক্টের সুষ্ঠু পরিচালনায় কোম্পানী স্কয়ারফিট প্রতি ১৫ টাকা হারে সার্ভিস ফি গ্রহণ করবে, যা পরিচালন ব্যয়ের অন্তর্ভুক্ত হবে।
🔹মুনাফা বণ্টন :
প্রকল্পের নিট মুনাফার ১০০% বিনিয়োগকারীদের মাঝে প্রদেয় [তবে এর থেকে ১০% সমাজসেবা ও কল্যাণমূলক ফান্ডে প্রদান করা হবে]।
🔹রিজার্ভ ফান্ড : মুনাফা থেকে আরও ১০% টাকা পৃথক রিজার্ভ ফান্ডে সংরক্ষিত রাখা হবে। বিনিয়োগকারীগণ এই ফান্ডের মালিক থাকবেন এবং জরুরি প্রদেয় বা ক্ষতি সামলাতে এটি ব্যবহৃত হবে।
🔹লোকসান বহন :
শরিয়াহ মূলনীতি অনুযায়ী বিনিয়োগকারীগণ নিজ নিজ মূলধন বা স্কয়ারফিট অনুযায়ী লোকসানের দায় বহন করবেন।
🔹লভ্যাংশ বিতরণের সময় :
বাণিজ্যিকভাবে চালু হওয়ার পর প্রতি বছর জুন/জুলাই মাসে।
🔹লভ্যাংশ হিসাবের ভিত্তি :
মালিকানাধীন স্কয়ারফিট অনুযায়ী।
🔸প্রকল্পের অবস্থান :
বরকতিয়া, খাপড়াভাঙ্গা [আলীপুর মহিপুর ও কুয়াকাটা মূল কেন্দ্র থেকে সড়ক বা নদীপথে ৭ কিলোমিটার]।
🔸বিস্তারিত নীতিমালা ও শর্তাবলী
০১। যোগ্য বিনিয়োগকারী :
মুফতী হাবিবুর রহমান মিছবাহ এবং ৩১৩ কোম্পানির সততা, আমানতদারিতা ও কার্যক্রমের ওপর যাদের পূর্ণ বিশ্বাস রয়েছে, কেবল তারাই এতে অংশ নেবেন।
০২। বিনিয়োগের মনস্তত্ত্ব :
কোনো নির্দিষ্ট নগদ লাভ বা সাময়িক আবেগের বশবর্তী হয়ে নয় ; বরং নীতিমালা ভালোভাবে জেনে-বুঝে শরিয়াহভিত্তিক লাভ-লোকসানের মানসিকতা নিয়েই বিনিয়োগ সম্পন্ন করতে হবে।
০৩। লভ্যাংশ প্রদান :
প্রকল্পের বাণিজ্যিক যাত্রা শুরুর পর থেকে ইনশাআল্লাহ প্রতি বছর জুন/জুলাই মাসে লভ্যাংশ বণ্টন করা হবে।
০৪। বিনিয়োগ ইউনিট :
সর্বনিম্ন বিনিয়োগ মূল্য ২ লক্ষ টাকা। একজন বিনিয়োগকারী একাধিক বিনিয়োগ গ্রহণ করতে পারবেন।
০৫। উত্তরাধিকারের অধিকার :
বিনিয়োগকারীর মৃত্যুতে দেশের প্রচলিত আইন ও শরিয়াহ বিধান মোতাবেক বৈধ ওয়ারিশগণ মালিকানার সম্পূর্ণ অধিকার পাবেন।
০৬। যৌথ বিনিয়োগ নিয়ম :
একাধিক ব্যক্তি একত্রে একটি বিনিয়োগ করতে পারবেন, তবে দাপ্তরিক নথিপত্রে যেকোনো একজনের নাম নিবন্ধিত থাকবে। এ ক্ষেত্রে অংশীদারদের নিজেদের মধ্যে পৃথক চুক্তি সম্পাদন করে নেওয়া আবশ্যক।
০৭। বুকিং প্রক্রিয়া :
ঢাকার প্রধান কার্যালয়, কুয়াকাটার আঞ্চলিক অফিস কিংবা নির্ধারিত ব্যাংক অ্যাকাউন্টের মাধ্যমে বুকিং সম্পন্ন করা যাবে।
০৮। প্রবাসী বিনিয়োগকারীদের সুযোগ :
প্রবাসীগণ নির্ধারিত প্রতিনিধি কিংবা অনলাইন মাধ্যমে সমস্ত বিনিয়োগ প্রক্রিয়া সম্পাদন করতে পারবেন।
০৯। আর্থিক লেনদেন :
কোম্পানির চেয়ারম্যান বরাবর কিংবা কোম্পানির অফিশিয়াল ব্যাংক অ্যাকাউন্টে অর্থ জমা দিতে হবে।
১০। লাভ-লোকসান হিসাব :
নির্দিষ্ট কোনো জোনের ওপর নয়, বরং পুরো প্রকল্পের সামগ্রিক আয়-ব্যয়ের ওপর ভিত্তি করে স্কয়ারফিট অনুপাতে লাভ-লোকসান হিসাব করা হবে।
১১। বিনিয়োগ বিক্রি :
সম্পূর্ণ মালিকানা নিশ্চিত হওয়ার পর বিনিয়োগকারী নিজে অথবা কোম্পানির সহায়তায় তার শেয়ার বিক্রি করতে পারবেন।
১২। রিজার্ভ ফান্ড [১০%] :
প্রতি বছর অর্জিত লভ্যাংশ থেকে ১০% অর্থ পৃথক রিজার্ভ ফান্ডে জমা থাকবে, যার প্রকৃত মালিক হবেন বিনিয়োগকারীগণ।
১৩। লোকসান ব্যবস্থাপনা :
ব্যবসায়িক ক্ষতি হলে তা মূলধনের অনুপাত অনুযায়ী ধার্য হবে এবং পরিস্থিতি বিবেচনায় সংরক্ষিত রিজার্ভ ফান্ড থেকে তা সমন্বয় করা যাবে।
১৪। লেক ও জমি ব্যবহার চুক্তি :
লেক ও জমিতে মৎস্য ও কৃষি চাষাবাদের সর্ব যাবতীয় ব্যয় এবং ব্যবস্থাপনা ৩১৩ এগ্রো ফার্ম পরিচালনা করবে। এ বাবদ প্রাপ্ত নিট লাভের ৪০% রোমানসিয়াকে দেওয়া হবে। চাষাবাদে কোনো আর্থিক ক্ষতি হলে তা ৩১৩ এগ্রো ফার্ম একাই বহন করবে।
১৫। নীতি সংশোধন :
ইসলামী শরিয়াহ ও দেশের প্রচলিত আইনের আওতায় থেকে যেকোনো প্রয়োজনীয় অনুচ্ছেদ পরিমার্জনের অধিকার কোম্পানি সংরক্ষণ করে।
১৬। শৃঙ্খলা ও চুক্তিভঙ্গ :
যেকোনো মারাত্মক অনিয়ম বা শর্ত লঙ্ঘনের ক্ষেত্রে কোম্পানি আইনানুগ ও সাংগঠনিক পদক্ষেপ নিতে পারবে।
১৭। স্থায়িত্ব :
আইনি প্রক্রিয়ায় বিলুপ্ত ঘোষিত না হওয়া পর্যন্ত প্রজেক্ট অব্যাহত থাকবে।
১৮। পরিচয়পত্র ও অনলাইন ডেটা :
প্রত্যেক বিনিয়োগকারীকে অফিসিয়াল আইডি কার্ড প্রদান করা হবে এবং বাণিজ্যিক কার্যক্রমের পর সমস্ত তথ্য অনলাইন পোর্টালে প্রকাশ করা হবে।
১৯। মালিকানা ও ব্যবস্থাপনা নিয়ম :
বিনিয়োগকারীগণ স্কয়ারফিট অনুপাতে সম্পত্তির যৌথ মালিক বলে গণ্য হবেন [জমি ও স্থাপনা]। প্রজেক্টের নির্মাণ, পরিচালনা ও দেখাশোনার দায়িত্ব পৃথক চুক্তি অনুযায়ী [এই ফর্মে স্বাক্ষরের মাধ্যমেই চুক্তি সম্পন্ন হয়ে যাবে] কোম্পানির ওপর থাকবে এবং কোম্পানি পরিচালনা বাবদ প্রতি স্কয়ারফিটে ১৫ টাকা পারিশ্রমিক হিসেবে নেবে যা মূল ব্যয়ে হিসাব হবে [লাভের কোনো অংশ নেবে না]।
২০। চেয়ারম্যানের অনুপস্থিতি :
চেয়ারম্যানের অনুপস্থিতিতে ব্যবস্থাপনা পরিচালক [এমডি] আসমা খাতুন প্রতিষ্ঠানের সকল কার্যক্রম পরিচালনা করবেন।
২১। চূড়ান্ত বিলুপ্তি নীতি :
চেয়ারম্যান ও এমডি উভয়ের অনুপস্থিতিতে সম্মানিত উপদেষ্টা পরিষদ ও আদালতের নির্দেশনা অনুযায়ী সম্পদ বিক্রি করে বিনিয়োগকারীদের মূলধনের অর্থ ফেরত দেওয়া হবে। যাবতীয় দেনা শোধ ও মূলধন ফেরতের পর উদ্বৃত্ত অর্থ নিয়ম অনুযায়ী বণ্টন করা হবে।
২২। চুক্তি সম্পাদন :
নীতিমালার সঙ্গে সম্পূর্ণ একমত হয়ে অঙ্গীকারনামায় স্বাক্ষরের মাধ্যমেই বিনিয়োগ চূড়ান্ত হবে।
🔻বিনিয়োগ বিক্রির নিয়মাবলী🔻
০১। প্রজেক্ট চলাকালে কোনো বিনিয়োগকারী শেয়ার বিক্রি করতে চাইলে যেকোনো সময় তা পারবেন ; তবে অবশ্যই ম্যানেজমেন্টকে আগে থেকে অবহিত করতে হবে এবং কোম্পানির কর্মকর্তাদের উপস্থিতিতেই নতুন চুক্তি সম্পন্ন করতে হবে।
০২। তৎকালীন বাজারমূল্য যাই হোক না কেন, নতুন ক্রেতার মূলধন হিসেবে কোম্পানিতে মূল ঘোষিত ফেস ভ্যালুই গণনায় ধরা হবে।
০৩। বিক্রির জন্য কোম্পানির ওপর দায়িত্ব দিলে সর্বোচ্চ ১৫০ কার্যদিবস সময় দিতে হবে। নির্ধারিত সময়ে বিক্রি না হলে সমঝোতার ভিত্তিতে কোম্পানি নিজে কিনতে পারবে, অন্যথায় চূড়ান্ত বিক্রয় না হওয়া পর্যন্ত অপেক্ষা করতে হবে।
০৪। বিক্রিত শেয়ারের সম্পূর্ণ অর্থ বিক্রেতা সরাসরি নতুন ক্রেতার থেকে বুঝে নেবেন। অর্থ লেনদেনের পর উক্ত বিনিয়োগের ওপর পূর্বের মালিকের আর কোনো দাবি থাকবে না।
০৫। নতুন ক্রেতা মূল বিনিয়োগকারীর ন্যায় সমপরিমাণ অধিকার ও সুযোগ-সুবিধা ভোগ করবেন এবং তাকে প্রজেক্টের সব নিয়ম মেনে চলতে হবে।
০৬। বিক্রেতা নতুন ক্রেতাকে সব নিয়মকানুন স্পষ্টভাবে বুঝিয়ে বলবেন। কোনো তথ্য গোপন করে বিক্রি করলে উক্ত ক্রেতাকে সদস্যপদ দেওয়া হবে না।
০৭। যারা রেজিস্ট্রি নেবেন, তারা কলাপাড়া উপজেলা সাব-রেজিস্ট্রি অফিসে সশরীরে উপস্থিত হয়ে নতুন ক্রেতাকে দলীল বুঝিয়ে দিতে হবে।
০৮। বিক্রির সময়ে কোম্পানি প্রদত্ত পূর্বের আইডি কার্ড, ইনভয়েসের মূল কপি ও মানি রিসিট অফিসে জমা দেওয়া বাধ্যতামূলক।
০৯। ইনভয়েস বা আইডি কার্ড হারিয়ে গেলে নিকটস্থ থানায় সাধারণ ডায়েরি (GD) করে তার সার্টিফাইড কপি জমা দিতে হবে। জিডি কপি যাচাই ব্যতীত বিক্রয় কার্যক্রম শুরু করা হবে না।
🔎 বিনিয়োগের জন্য প্রয়োজনীয় কাগজপত্র :
০১। বিনিয়োগকারীর জাতীয় পরিচয়পত্র (NID) / পাসপোর্ট / অনলাইন জন্মসনদের স্পষ্ট ফটোকপি।
০২। বিনিয়োগকারীর ১ কপি সদ্য তোলা পাসপোর্ট সাইজ রঙিন ছবি।
০৩। নমিনির জাতীয় পরিচয়পত্র (NID) / পাসপোর্ট / অনলাইন জন্মসনদের স্পষ্ট ফটোকপি।
০৪। নমিনির ১ কপি সদ্য তোলা পাসপোর্ট সাইজ রঙিন ছবি [পর্দা রক্ষার্থে প্রাপ্তবয়স্ক নারী নমিনী ছবি দিতে না চাইলে জাতীয় পরিচয়পত্র বা পাসপোর্টের কপি দেওয়া বাধ্যতামূলক]।
০৫। সবসময় সচল থাকে এমন একটি ব্যক্তিগত নম্বর [যা হোয়াটসঅ্যাপে যুক্ত]।
অঙ্গীকারনামা :
আমি নিম্নস্বাক্ষরকারী, রোমানসিয়া এগ্রো ট্যুরিজম প্রজেক্টে বিনিয়োগের লক্ষ্যে এতদ্বারা সজ্ঞান ও সচ্ছল মস্তিষ্কে, অন্যের বিনা প্ররোচনায় নিম্নলিখিত শর্তাবলী মেনে অঙ্গীকার করছি যে—
১. আমি ‘রোমানসিয়া এগ্রো ট্যুরিজম’ [অক্টোবর ২০২৬-এ প্রণীত] বিনিয়োগ নীতিমালার প্রতিটি ধারা, উপ-ধারা ও শর্তাবলী মনোযোগ সহকারে পড়ে এবং সম্পূর্ণ একমত হয়ে বিনিয়োগ সম্পন্ন করছি।
২. সম্পূর্ণ শরিয়াহসম্মত মূলনীতি মেনে লাভ ও লোকসানের মানসিকতা নিয়ে বিনিয়োগ গ্রহণ করছি। ব্যবসায়িক নিট মুনাফার ১০০% বিনিয়োগকারীদের মাঝে বণ্টন [যার ১০% সমাজসেবা/কল্যাণ ফান্ডে এবং ১০% পৃথক রিজার্ভ ফান্ডে জমাকৃত] এবং শরিয়াহ অনুযায়ী স্কয়ারফিট অনুপাতে লোকসানের ঝুঁকি বহনে আমার পূর্ণ সম্মতি রয়েছে।
৩. প্রজেক্টের নির্মাণ, পরিচালনা, রক্ষণাবেক্ষণ ও পরিচালনার সার্বিক দায়িত্ব ৩১৩ কোম্পানির ওপর ন্যস্ত থাকবে। কোম্পানি ব্যবসায়িক মুনাফা না নিয়ে সুষ্ঠু পরিচালনা বাবদ স্কয়ারফিট প্রতি ১৫ টাকা হারে যে সার্ভিস/ব্যবস্থাপনা ফি গ্রহণ করবে, তা পরিচালন ব্যয়ের অন্তর্ভুক্ত হিসেবে মেনে নিতে আমার কোনো আপত্তি নেই।
৪. প্রতি বিনিয়োগের বিপরীতে বরাদ্দকৃত ২০০ স্কয়ারফিট জমি ও স্থাপনার অবিভক্ত যৌথ মালিকানা এবং তৎসংশ্লিষ্ট সকল আইনি বিধিবিধান মেনে বিনিয়োগে সম্মত হয়েছি।
৫. ভবিষ্যতে আমার মালিকানাধীন অংশ বা শেয়ার বিক্রির প্রয়োজন হলে, নীতিমালায় বর্ণিত সকল নিয়ম পরিপূর্ণভাবে অনুসরণ করব।
৬. আমার ও আমার নমিনির প্রদত্ত যাবতীয় তথ্য ও নথিপত্র [এনআইডি/পাসপোর্ট/ছবি ইত্যাদি] সম্পূর্ণ সত্য ও সঠিক।
৭. প্রজেক্টের শৃঙ্খলা রক্ষা এবং ইসলামী শরিয়াহ ও দেশের প্রচলিত আইন অনুযায়ী সময়োপযোগী যেকোনো পরিমার্জন বা সিদ্ধান্ত গ্রহণের এখতিয়ার কোম্পানির থাকবে, যা আমার ওপর বাধ্যকর হবে।